সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (সাজু)
“আমার মিরপুর , আমার বাংলাদেশ ”
নেতৃত্ব দিয়ে যারা কথা রাখে , সেই পরিবার এর সন্তান আমি
এস. এ. খালেক
৫ বার নির্বাচিত বৃহত্তর মিরপুর এর সংসদ সদস্য এবং অভিবক্ত ঢাকার সাবেক পৌরমেয়র
প্রয়াত বৃহত্তর মিরপুরের সাবেক পাঁচবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও অভিভক্ত ঢাকার সাবেক ডেপুটি মেয়র মরহুম আলহাজ এস. এ. খালেক আমৃত্যু শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শের একজন অবিচল অনুসারী ছিলেন এবং মিরপুরের উন্নয়নে তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। সততা, নৈতিকতা ও জনমানুষকে অগ্রাধিকার দেওয়া রাজনীতির জন্য তিনি ব্যাপকভাবে পরিচিত ছিলে , তাঁর রাজনৈতিক জীবনে তিনি সব সময় ব্যক্তিগত বা দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে এলাকার মানুষের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে ।।
- মিরপুরকে সিটি কর্পোরেশন আওতাভুক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, যার ফলে উন্নত নগর শাসন ও সেবা নিশ্চিত হয়।
- পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে বসবাসকারী বাসিন্দাদের জন্য স্বল্পমূল্যের দীর্ঘমেয়াদি কিস্তি ব্যবস্থার মাধ্যমে স্থায়ী সরকারি বরাদ্দ নিশ্চিত করেন।
- প্রতিটি ওয়ার্ডে একাধিক গভীর নলকূপ স্থাপনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সুপেয় পানির সংকট সমাধান করেন।
- গৃহস্থালিতে গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করে জীবনমান ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের উন্নতি সাধন করেন।
- সকল প্রধান সড়ক ও অলিগলি প্রশস্তকরণ ও কার্পেটিংয়ের মাধ্যমে যোগাযোগব্যবস্থা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করেন।
- দারুসসালাম রোড, বাংলা কলেজ রোড, ৬০ ফিট রোড, কালশী রোড ও মাজার রোডসহ একাধিক বড় সড়ক সম্প্রসারণ প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেন।
- গাবতলী বাস টার্মিনাল স্থাপন করেন, যা দেশের উত্তরাঞ্চলের ৩৪টি জেলার সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ নিশ্চিত করে আন্তঃজেলা ও নগর পরিবহন ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটায়।
- গাবতলীতে দেশের বৃহত্তম পশুর হাট গড়ে তোলেন, যা ব্যবসা ও জীবিকায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
- মিরপুর বেড়িবাঁধ নির্মাণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, যা ঢাকার বিস্তীর্ণ এলাকাকে ভয়াবহ বন্যা থেকে রক্ষা করেছে।
- আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাত শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে বাংলাদেশকে বৈশ্বিক ক্রীড়া মানচিত্রে স্থান করে দেন।
- জাতীয় ইনডোর স্টেডিয়াম ও সুইমিং কমপ্লেক্স নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেন, যা ক্রীড়া ও যুব উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে।
- মিরপুরের সকল প্রধান প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে এমপিওভুক্ত নিশ্চিত করে শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করেন।
- মিরপুর দরগা শরীফ সংস্কার ও পুনর্নির্মাণে নেতৃত্ব দিয়ে সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্য সংরক্ষণ করেন।
পরিচিতি
সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (সাজু)
নাম: সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক (সাজু)
পিতার নাম: এস. এ. খালেক
জন্ম তারিখ: ১লা জানুয়ারি, ১৯৭২
পেশা: ব্যবসায়ী
এস এ আবু বকর সিদ্দিক সাজু একজন উদ্যমী, সমাজসচেতন ও আধুনিক চিন্তাধারার ব্যক্তিত্ব হিসেবে সুপরিচিত। তিনি মরহুম এস এ খালেকের সুযোগ্য সন্তান হিসেবে পিতার আদর্শ, সততা ও জনসেবার মূল্যবোধ ধারণ করে বেড়ে উঠেছেন। ন্যায়, মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তাঁর চিন্তা ও কর্মের মূল ভিত্তি।
ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অন্যায়, অবিচার ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে তিনি সাহসিকতার সঙ্গে অবস্থান নেন। সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর কারণে তাঁর বিরুদ্ধে ৮২টি মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়। ২০২২, ২০২৩ ও ২০২৪—এই তিন বছরেই তাঁকে সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে জামিন নিতে বাধ্য হতে হয়েছে। তবুও তিনি কখনো ভীত হননি, অন্যায়ের কাছে নতিস্বীকার করেননি।
এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগ্রামের পাশাপাশি এস এ আবু বকর সিদ্দিক সাজু ব্যক্তিগত জীবনে আরও এক কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হন। কেমোথেরাপি ও রেডিয়েশন নিয়ে Stage 3B Colorectal Carcinoma (কোলোরেক্টাল ক্যান্সার)–এর বিরুদ্ধে তিনি সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ করেন। মৃত্যুভয়, শারীরিক যন্ত্রণা ও মানসিক চাপ—সবকিছুকে অতিক্রম করেও তিনি ফ্যাসিবাদবিরোধী সকল বিএনপি কর্মসূচি পালনে অটল ছিলেন। জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়েও তাঁর দৃঢ়তা ও সংগ্রামী চেতনা এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। তিনি বিশ্বাস করেন—এই জীবনে সংগ্রাম না করে হারিয়ে যাওয়ার কোনো সংজ্ঞা নেই। একজন ক্যান্সার যোদ্ধা কখনো হারে না; জীবনের শেষ বিন্দু পর্যন্ত সে লড়াই করে যায়। এই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি সকল ক্যান্সার যোদ্ধা ও বেঁচে যাওয়া মানুষদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সম্মান জানান এবং সমাজকে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান। সমাজের উন্নয়ন, যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, ন্যায়ভিত্তিক নেতৃত্ব গড়ে তোলা এবং মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ব্যক্তিজীবনে তিনি বিনয়ী, দূরদর্শী ও দায়িত্বশীল। ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের কল্যাণে আরও বৃহৎ পরিসরে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েই তিনি এগিয়ে চলেছেন—ন্যায়, সত্য ও মানবিকতার পথে অবিচল থেকে।
মাদককে 'না' বলুন:
বিশেষ করে মিরপুর-১ এলাকায় মাদক বিক্রির হটস্পটগুলো চিহ্নিত করে কঠোরভাবে উচ্ছেদ করা হবে
চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স:
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই), গার্মেন্টস কারখানা এবং সকল বৈধ ব্যবসার ওপর যেকোনো ধরনের চাঁদাবাজি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে
অনানুষ্ঠানিক শ্রমজীবী ও জনসাধারণের স্থান সুরক্ষা:
ফুটপাত ও জনসাধারণের চলাচলের স্থানে অবৈধ চাঁদাবাজি উচ্ছেদ করে হকার, পথচারী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে
আইন-শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা:
কিশোর গ্যাংসহ সকল অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে এলাকায় শান্তি ও জননিরাপত্তা ফিরিয়ে আনা হবে
নগর অবকাঠামোগত ব্যর্থতা দূরীকরণ:
দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান এবং নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে সমন্বিত পরিকল্পনা, জবাবদিহিতা ও অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যকর করা হবে
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে অঙ্গীকার:
- পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর মিরপুর নিশ্চিত করতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা রূপান্তর ও আধুনিকায়ন করা হবে।
- জনস্বাস্থ্য রক্ষায় ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে সমন্বিত ও ব্যাপক কর্মসূচি শুরু করা হবে।
- জলাবদ্ধতা কমানো এবং পরিবেশের টেকসইতা বৃদ্ধি করতে খাল ও জলাধারগুলো পুনরুদ্ধার ও পরিচ্ছন্ন করা হবে।
- অধিক বৃক্ষরোপণ ও বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণের মাধ্যমে সবুজায়ন সম্প্রসারণ করা হবে।
- ঢাকা-১৪-এর পাড়া-মহল্লায় প্রাণীর যত্ন, টিকাদান এবং সুরক্ষার জন্য কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
- আধুনিক ও কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংস্কার করে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর মিরপুর গড়ে তোলা হবে।
- ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে সমন্বিত ও কার্যকর জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
- খাল ও জলাধার পরিষ্কার ও পুনরুদ্ধার করে জলাবদ্ধতা কমানো এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা হবে।
- ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজায়ন বৃদ্ধি ও বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণ করা হবে।
- ঢাকা-১৪-এর পাড়া-মহল্লায় প্রাণীদের টিকাদান, চিকিৎসা ও সুরক্ষার জন্য কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
উন্নয়ন
কাউন্দিয়া ইউনিয়ন উন্নয়ন কর্মসূচি ও বঙ্গাঁও ইউনিয়ন:
মেইনল্যান্ডের সঙ্গে সেতু সংযোগ:
দীর্ঘদিনের বিচ্ছিন্নতা দূর করতে কাউন্দিয়া ইউনিয়নকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করা হবে
শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন:
ইউনিয়নের ভেতরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া কমানো এবং তরুণ সমাজকে এগিয়ে নেওয়া হবে
মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা:
নারীদের নিরাপদ প্রসব, মাতৃস্বাস্থ্য ও নবজাতক সেবার জন্য একটি আধুনিক মাতৃত্বকালীন ওয়ার্ড নির্মাণ করা হবে।
সড়ক সম্প্রসারণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন:
ইউনিয়নের সড়কসমূহ প্রশস্ত ও আধুনিকায়ন করে যোগাযোগব্যবস্থা শক্তিশালী করা হবে, যানজট কমানো হবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি বাড়ানো হবে
ইন্টারনেট সংযোগ ও ডিজিটাল সুবিধা:
স্টারলিংক ইন্টারনেট সংযোগ চালুর মাধ্যমে দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করে শিক্ষা, ব্যবসা, স্বাস্থ্যসেবা ও ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি বাড়ানো হবে।